২০২৩-২৪ অর্থবছর

বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে সর্বোচ্চ অর্থ নিয়েছে আদানিসহ ১০ কোম্পানি

সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে আইপিপি ও ভাড়াভিত্তিক বহু কোম্পানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। এছাড়া ভারত থেকেও বিপুল অর্থ ব্যয় করে আমদানি হচ্ছে বিদ্যুৎ।

সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে আইপিপি ও ভাড়াভিত্তিক বহু কোম্পানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। এছাড়া ভারত থেকেও বিপুল অর্থ ব্যয় করে আমদানি হচ্ছে বিদ্যুৎ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আইপিপি-রেন্টাল ও ভারত থেকে অন্তত ৭৯ হাজার ৩৯০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে বিপিডিবি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ নিয়েছে আদানি পাওয়ারসহ ১০টি কোম্পানি। টাকার অংকে ৪৭ হাজার ১৯৭ কোটি। কেবল আদানিই নিয়েছে ১২ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার বেশি।

বিপিডিবির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ার গত অর্থবছরে বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে ৮১৬ কোটি ৬৬ লাখ ৭৭ হাজার কিলোওয়াট। বিপরীতে অর্থ নিয়েছে ১২ হাজার ১৪৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। বিদ্যুৎ বিক্রি করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অর্থ নিয়েছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল)। পটুয়াখালীর পায়রায় অবস্থিত ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গত অর্থবছর বিপিডিবির কাছে মোট ৭৫৪ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার কিলোওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রি করে। বিনিময়ে এ সময়ে কোম্পানিটি ৮ হাজার ৯৩১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা পেয়েছে।

টাকার অংকে বিদ্যুৎ বিক্রির তালিকায় তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে দেশের বিদ্যুৎ খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপ। এ কোম্পানিটিও গত অর্থবছর বিপিডিবির কাছে বিপুল অর্থের বিদ্যুৎ বিক্রি করেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সামিটের মালিকানায় থাকা অন্তত আটটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছ থেকে ৫ হাজার ৬৪১ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে বিপিডিবি। তবে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের কাছে কোম্পানিটির বিদ্যুৎ বিক্রির অর্থ হিসাব করলে তা ৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

সামিটের আর্থিক প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী অবশ্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে তারা বিপিডিবির কাছে ৫ হাজার ৫১৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিক্রি করেছিল। এর মধ্যে সামিট পূর্বাচল পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে ১৪৪ কোটি ৫৮ লাখ, সামিট বিবিয়ানা-২ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১ হাজার ২৬১ কোটি ৮৬ লাখ, বরিশালে অবস্থিত সামিটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৪৬৬ কোটি ৪৯ লাখ, সামিট নারায়ণগঞ্জ-২ (৬২ মেগাওয়াট) কেন্দ্র থেকে ৩৬০ কোটি ৯৭ লাখ, গাজীপুরের কড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (৩০০ মেগাওয়াট) কাছ থেকে ১ হাজার ৫২৩ কোটি ৯৯ লাখ, সামিট মেঘনাঘাট-২ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৪৩০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে বিপিডিবি। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে সামিট মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছ থেকে ১ হাজার ১ হাজার ৫২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ও একই জেলায় অবস্থিত ভাড়াভিত্তিক একটি কেন্দ্র থেকে ৪০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি।

দেশের বেসরকারি খাতে সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এসএস পাওয়ার আই লিমিটেড। চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নির্মিত ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার কেন্দ্রটি পরিচালনা করছে এস আলম গ্রুপ। এটি গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে উৎপাদনে যায়। চীনের অর্থায়নে নির্মিত এ কেন্দ্র থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতি ইউনিট ২০ টাকা ধরে ২৪০ কোটি ২৯ লাখ ৪৬ হাজার কিলোওয়াট বিদ্যুৎ কিনেছে বিপিডিবি। বিনিময়ে এসএস পাওয়ার পেয়েছে ৪ হাজার ৯০৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। যদিও বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বিপিডিবিসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ কেন্দ্রের প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় গত বছর ছিল গড়ে ১৫ টাকার কিছু বেশি। বর্তমানে বিপিডিবির কাছে এসএস পাওয়ারের ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি পাওনা।

বেসরকারি ইউনাইটেড গ্রুপ আইপিপিভিত্তিক ছয়টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গত অর্থবছরে বিপিডিবির কাছে ১৮৪ কোটি ৩১ লাখ ৭৮ হাজার কিলোওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রি করেছে। বিনিময়ে পরিশোধ করতে হয়েছে ৪ হাজার ৭৯৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ইউনাইটেড আশুগঞ্জ থেকে বিদ্যুৎ কেনা বাবদ ব্যয় হয়েছে ৪৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের অন্য একটি কেন্দ্রের বিদ্যুৎ কিনে বিপিডিবিকে দিতে হয়েছে ৬০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এছাড়া ইউনাইটেড পাওয়ারের ময়মনসিংহের কেন্দ্র থেকে সরকারি সংস্থাটির বিদ্যুৎ কেনা বাবদ ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৫৬১ কোটি, চট্টগ্রামের আনোয়ারা কেন্দ্রের বিদ্যুৎ কিনে বিল হয়েছে ১ হাজার ৩৮৮ কোটি ৬৪ লাখ, ইউনাইটেড পায়রা ১৫০ মেগাওয়াট থেকে কেনা হয়েছে ৪৮০ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বিদ্যুৎ। আর ইউনাইটেড জামালপুর ১১৫ মেগাওয়াট থেকে ৮২৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার বিদ্যুৎ কেনা হয়েছে। এছাড়া গ্রুপটির আওতায় থাকা অন্যান্য কেন্দ্র থেকেও বিপুল অর্থের বিদ্যুৎ কিনেছে বিপিডিপি।

বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত দেশের কয়লাভিত্তিক আরেক বৃহৎ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার কেন্দ্রটি পরিচালনা করছে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)। এ কেন্দ্র থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিপিডিবি বিদ্যুৎ কিনেছে ২৮১ কোটি ১৫ লাখ ৫৪ হাজার কিলোওয়াট। আর এ পরিমাণ বিদ্যুৎ কিনতে বিপিডিবিকে পরিশোধ করতে হয়েছে ৪ হাজার ২৯৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘ সময় ধরে বিনিয়োগ রয়েছে বেসরকারি খাতের কোম্পানি ওরিয়ন গ্রুপের। কোম্পানির সাবসিডিয়ারি ওরিয়ন পাওয়ার মোট পাঁচটি কেন্দ্র থেকে বিপিডিবির বিদ্যুৎ কিনতে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৮২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ওরিয়নের রূপসা কেন্দ্র থেকে ৪৮৩ কোটি ৫৯ লাখ, সোনারগাঁও কেন্দ্র থেকে ৫৭৮ কোটি ১৩ লাখ, মেঘনাঘাট থেকে ২৫১ কোটি, ডাচ বাংলা পাওয়ার অ্যাসোসিয়েটস কেন্দ্র থেকে ২৪১ কোটি ও ডিজিটাল পাওয়ার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস থেকে ৫২৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বিদ্যুৎ কেনা হয়েছে।

আইপিপি হিসেবে বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করছে এ খাতের আরেক কোম্পানি কনফিডেন্স গ্রুপ। কোম্পানিটির সাবসিডিয়ারি কনফিডেন্স পাওয়ার তিনটি কেন্দ্র থেকে গত অর্থবছরে ৬৬ কোটি ৯৫ লাখ ৭৮ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিক্রি করেছে। এ পরিমাণ বিদ্যুৎ কিনতে বিপিডিবিকে এসব কেন্দ্রকে দিতে হয়েছে ১ হাজার ৮৩৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। কনফিডেন্সের ফার্নেস অয়েলভিত্তিক এ তিন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা ৩৩৯ মেগাওয়াট।

ভোলায় অবস্থিত আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার। কয়লাভিত্তিক এ কেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ৩০৭ মেগাওয়াট। সেখান থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিপিডিবি বিদ্যুৎ কিনেছে ১ হাজার ৫৬১ কোটি ২৯ লাখ টাকার।

দেশের আরেকটি বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি দেশ এনার্জি লিমিটেড। বিপিডিবির কাছে কোম্পানিটির তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এর মধ্যে দুটি আইপিপি ও একটি রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছ থেকে বিপিডিবি মোট ১ হাজার ৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে। এর মধ্যে চাঁদপুরের কেন্দ্রটির কাছ থেকে ৯২১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কাছ থেকে ৪৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র কুমারগাঁও থেকে ৩৮ কোটি ২১ লাখ টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে বিপিডিবি।

দেশের সরকারি কেন্দ্রগুলোর বড় সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিপিডিবির আইপিপি ও ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে থেকে বিপুল অর্থের বিদ্যুৎ কিনছে। এতে বিপিডিবি একদিকে যেমন কেন্দ্রগুলোর কাছে বিপুল পরিমাণ ঋণে পড়ছে। অন্যদিকে নিজস্ব বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছে, বিপিডিবির নীতি ও ভুল পরিকল্পনার কারণে বছরের পর বছর খরচ ও ভর্তুকি বেড়ে চলছে। এগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে সামনে আরো কঠিন সময় রয়েছে সংস্থাটির জন্য।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও পাওয়ার সেলের সাবেক ডিজি বিডি রহমতউল্লাহ বণিক বার্তাকে বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎনির্ভরতা থেকে বিপিডিবি বের হতে পারবে না। কারণ তার পলিসি ও পরিকল্পনাগত সংকট রয়েছে। এ খাতে বিপিডিবিকে দীর্ঘ সময় ধরে আইপিপিগুলোর দাপটের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। এগুলো থেকে বের হতে হবে। সঠিক ও যৌক্তিক পরিকল্পনা নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিশেষত রেন্টার বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নতুবা এভাবেই বছরের পর বছর বিপিডিবি লোকসান গুনতে থাকবে। সরকারও এই ভর্তুকি থেকে বের হতে পারবে না।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক ম. তামিম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিপিডিবি বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছ থেকে বেশি বিদ্যুৎ কিনছে, এই প্রসঙ্গের চেয়ে দেখা দরকার, কী দামে এবং কতটা সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ কিনছে। কম মূল্যে বিদ্যুৎ কেনা গেলে, সেটা বেসরকারি কিংবা সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু আমাদের দেশে বিদ্যুৎ খাতে সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ইফিশিয়েন্সি লেভেল কম, যে কারণে তার উৎপাদন খরচ বেশি হয়। অন্যদিকে সরকারিভাবে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করা হবে সেই সুযোগও তৈরি করা যায়নি। যে কারণে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে হয়েছে। এখন আমাদের উচিত হবে বড় সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে এসেছে। সেগুলোর ইফিশিয়েন্সি লেভেল অনেক বেশি। তেলের চেয়ে সাশ্রয়ী। এগুলোকে কীভাবে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনা যায় সেটাই দেখা উচিত।’

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপিডিবি এখন উচ্চ সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। উৎপাদন খরচ বিবেচনায় এসব কেন্দ্র এখন বেশি চালানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাতে জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের খরচ কমানো যাবে। এমনকি সামগ্রিকভাবে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওপর থেকে চাপ কমিয়ে আনা যাবে বলে জানিয়েছেন বিপিডিবির শীর্ষ কর্মকর্তারাও।

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় সাশ্রয় করে বিপিডিবি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কারণ এখন বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে বিপুল পরিমাণ বকেয়া রয়েছে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে। এর প্রধানত কারণ নগদ অর্থ ও ডলারের সংকট। সবমিলিয়ে কীভাবে বিদ্যুৎ খাত ব্যয় সাশ্রয় করা যায় সেই চেষ্টায় করা হচ্ছে।’

আরও